চীফ রিপোর্টার আজিজুল হক  জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শহীদ ওসমান হাদীর জানাজা শেষে রাষ্ট্র, রাজনীতি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষ শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়ে একের পর এক বক্তব্য দেন। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস বলেন,সব বাংলাদেশির বুকে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি আছে।জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমার ভাই, জুলাই বিপ্লবের অন্যতম কাণ্ডারি ওসমান হাদি হাসতে হাসতে শহীদি মৃত্যুকে আলিঙ্গন করলেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।” বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জানায়, “ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও স্বাধীন প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি।” জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ শোকবার্তায় বলেন, হাদী বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের একজন সামনের সারির যোদ্ধা ছিলেন। তার শাহাদাতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।” সাবেক উপদেষ্টা মহফুজ আলম লিখেছেন, শহীদ ওসমান হাদি জিন্দাবাদ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।” আর সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন, “তার ত্যাগ বাংলাদেশের নিপীড়িত মানুষের মুক্তির সংগ্রামে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।” ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ রেজাউল  আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলেন, “স্বাধীনতার পর থেকেই দেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। ন্যায়ের পক্ষে ও কল্যাণের পক্ষে কথা বলা ওসমান হাদির মতো একজন মেধাবী যুবককে দিনে-দুপুরে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। শহীদ ওসমান হাদীর মৃত্যুতে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সকল স্তরের এই একত্রিত শোক এবং দাবিগুলো স্পষ্ট করে দেয়, তাঁর মৃত্যু শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং এক বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিফলন এবং আন্দোলনের বিপুল প্রতিক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দু।