কবর জিয়ারতের সময় চরমোনাই পীর বলেন, “শহীদ ওসমান হাদী ছিলেন জুলুম-নিপীড়নের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাঁর আত্মদান জাতিকে যুগ যুগ ধরে অনুপ্রাণিত করবে।” তিনি আরও বলেন, শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না; ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা এবং বিপুলসংখ্যক সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত নেতাকর্মীদের অনেককে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তে দেখা যায়। শহীদ ওসমান হাদীর কবর প্রাঙ্গণ যেন পরিণত হয় শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও প্রতিজ্ঞার মিলনস্থলে।
চরমোনাই পীর তাঁর বক্তব্যে শহীদের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “শহীদের পরিবার একদিকে যেমন শোকাহত, অন্যদিকে তারা গর্বিত—কারণ তাদের সন্তান ইসলামের পথে, দেশের ন্যায়ের পথে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।”
উল্লেখ্য, শহীদ ওসমান হাদী ছিলেন অন্যায় ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তাঁর সাহসী ভূমিকা ও ত্যাগ দেশের বিপ্লবী যুবসমাজের কাছে অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে। তাঁর শাহাদাত নতুন প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে চরমোনাই পীর শহীদ ওসমান হাদীর আদর্শ ধারণ করে ইসলামী আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানান।
শহীদ ওসমান হাদীর কবরে চরমোনাই পীরের শ্রদ্ধাঞ্জলি বিপ্লবী আত্মত্যাগ স্মরণে আবেগঘন কবর জিয়ারত

চীফ রিপোর্টার আজিজুল হক
শহীদ ওসমান হাদীর কবর জিয়ারত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীরসাহেব চরমোনাই। এ সময় তিনি শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন এবং তাঁর বিপ্লবী আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
কবর জিয়ারতের সময় চরমোনাই পীর বলেন, “শহীদ ওসমান হাদী ছিলেন জুলুম-নিপীড়নের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাঁর আত্মদান জাতিকে যুগ যুগ ধরে অনুপ্রাণিত করবে।” তিনি আরও বলেন, শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না; ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা এবং বিপুলসংখ্যক সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত নেতাকর্মীদের অনেককে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তে দেখা যায়। শহীদ ওসমান হাদীর কবর প্রাঙ্গণ যেন পরিণত হয় শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও প্রতিজ্ঞার মিলনস্থলে।
চরমোনাই পীর তাঁর বক্তব্যে শহীদের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “শহীদের পরিবার একদিকে যেমন শোকাহত, অন্যদিকে তারা গর্বিত—কারণ তাদের সন্তান ইসলামের পথে, দেশের ন্যায়ের পথে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।”
উল্লেখ্য, শহীদ ওসমান হাদী ছিলেন অন্যায় ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তাঁর সাহসী ভূমিকা ও ত্যাগ দেশের বিপ্লবী যুবসমাজের কাছে অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে। তাঁর শাহাদাত নতুন প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে চরমোনাই পীর শহীদ ওসমান হাদীর আদর্শ ধারণ করে ইসলামী আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানান।
কবর জিয়ারতের সময় চরমোনাই পীর বলেন, “শহীদ ওসমান হাদী ছিলেন জুলুম-নিপীড়নের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাঁর আত্মদান জাতিকে যুগ যুগ ধরে অনুপ্রাণিত করবে।” তিনি আরও বলেন, শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না; ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা এবং বিপুলসংখ্যক সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত নেতাকর্মীদের অনেককে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তে দেখা যায়। শহীদ ওসমান হাদীর কবর প্রাঙ্গণ যেন পরিণত হয় শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও প্রতিজ্ঞার মিলনস্থলে।
চরমোনাই পীর তাঁর বক্তব্যে শহীদের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “শহীদের পরিবার একদিকে যেমন শোকাহত, অন্যদিকে তারা গর্বিত—কারণ তাদের সন্তান ইসলামের পথে, দেশের ন্যায়ের পথে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।”
উল্লেখ্য, শহীদ ওসমান হাদী ছিলেন অন্যায় ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তাঁর সাহসী ভূমিকা ও ত্যাগ দেশের বিপ্লবী যুবসমাজের কাছে অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে। তাঁর শাহাদাত নতুন প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে চরমোনাই পীর শহীদ ওসমান হাদীর আদর্শ ধারণ করে ইসলামী আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানান।


