Login
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে জাতীয় নাগরিক পার্টির পরিচ্ছন্নতা, বৃক্ষরোপন ও মশা নিধন কর্মসূচি
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার ওপর গুরুত্বারোপ করলেন এমপি আশফাক
যুব জমিয়ত বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার কাউন্সিল ও সদস্য সম্মেলন সম্পন্ন। সভাপতি মুফতি আল আমিন সাদী,সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুল আহাদ খুর্শিদী
সারাদেশে
জাতীয়
আন্তর্জাতিক
রাজনীতি
অর্থনীতি
অন্যান্য
অপরাধ
আলোচিত
সাহিত্য
সারাদেশে
ঢাকা-বিভাগ
সিলেট-বিভাগ
চট্রগ্রাম-বিভাগ
খুলনা-বিভাগ
ময়মনসিংহ-বিভাগ
রংপুর-বিভাগ
রাজশাহী-বিভাগ
বরিশাল-বিভাগ
জাতীয়
আন্তর্জাতিক
রাজনীতি
অর্থনীতি
অন্যান্য
খেলাধুলা
বিনোদন
শিক্ষা
ধর্ম
বিজ্ঞান
আইন-আদালত
ক্যাম্পাস
গণমাধ্যম
চাকরী
তথ্যপ্রযুক্তি
প্রবাস
ফিচার
ভ্রমণ
মতামত
ইতিহাস-ঐহিত্য
লাইফস্টাইল
সম্পাদকীয়
স্বাস্থ্য
শোক সংবাদ
নাগরিক সেবা
দুর্ঘটনা
অপরাধ
আলোচিত
সাহিত্য
গল্প
কবিতা
ধারাবাহিক
ভিডিও
সারাদেশে
ঢাকা-বিভাগ
সিলেট-বিভাগ
চট্রগ্রাম-বিভাগ
খুলনা-বিভাগ
ময়মনসিংহ-বিভাগ
রংপুর-বিভাগ
রাজশাহী-বিভাগ
বরিশাল-বিভাগ
জাতীয়
আন্তর্জাতিক
রাজনীতি
অর্থনীতি
অন্যান্য
খেলাধুলা
বিনোদন
শিক্ষা
ধর্ম
বিজ্ঞান
আইন-আদালত
ক্যাম্পাস
গণমাধ্যম
চাকরী
তথ্যপ্রযুক্তি
প্রবাস
ফিচার
ভ্রমণ
মতামত
ইতিহাস-ঐহিত্য
লাইফস্টাইল
সম্পাদকীয়
স্বাস্থ্য
শোক সংবাদ
নাগরিক সেবা
দুর্ঘটনা
অপরাধ
আলোচিত
সাহিত্য
গল্প
কবিতা
ধারাবাহিক
ভিডিও
Login
খুজুন
অনুসরণ করুন
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
Get it on
Google Play
Download on the
App Store
সারাদেশে
জাতীয়
আন্তর্জাতিক
রাজনীতি
অর্থনীতি
অন্যান্য
অপরাধ
আলোচিত
আমাদের পরিবার
খুজুন
Login
সারাদেশে
আলোচিত
বোমার আতঙ্ক উধাও, জনসমুদ্রে শেষ হলো লালন সাঁইয়ের স্মরণোৎসব।
মোঃ জাহিদ তানভীর আজাদ, জেলা প্রতিনিধি।
কুষ্টিয়া।
আপডেট:
১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:৩১
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী স্মরণোৎসবের সমাপ্তি ঘটেছে। উৎসবের শেষ দিন সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় লালন আখড়াবাড়ি ও মাজার প্রাঙ্গণে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ঢল নামে।
আগের রাতে আখড়াবাড়ির ভেতর থেকে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও, শেষ পর্যন্ত ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উৎসবের রূপ নেয় ঐতিহ্যবাহী এই তীর্থস্থান।
গত শনিবার সন্ধ্যায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী তিন দিনব্যাপী এই স্মরণোৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সরকারি কর্মসূচির পাশাপাশি লালন অনুসারী ভেকধারী ও খিলাফতধারী বাউলরা নিজেদের রীতিনীতি অনুযায়ী সাধনা ও আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেন। শনিবার সন্ধ্যায় শুরু হওয়া সাধু-বাউলদের ঐতিহ্যবাহী 'অষ্টপ্রহর' আয়োজন রবিবার বিকেলে 'পূর্ণসেবা' বা মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এরপর অনেক বাউল-সাধু আখড়াবাড়ি ত্যাগ করলেও সাধারণ ভক্তরা উৎসবের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অবস্থান করেন।
তবে উৎসবের দ্বিতীয় দিন রবিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে আখড়াবাড়ির ভেতরের অংশে একটি বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়া গেলে সেখানে অবস্থানরত বাউল ও ভক্তদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে সোমবার ভোর থেকেই অনেকে আখড়াবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে থাকেন। তবে দুপুরের পর আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও সেখানে আসতে শুরু করেন সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে মাজার এলাকা, আখড়াবাড়ি ও বাইরের মাঠ লোকারণ্য হয়ে ওঠে।
মানিকগঞ্জ থেকে আসা লালনভক্ত হাফিজ উদ্দিন বলেন, "বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধ্বংসের অপচেষ্টা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে লালন সাঁইয়ের স্মরণোৎসব হলেও এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। বাংলা সংস্কৃতিকে যারা সহ্য করতে
