একসাথে সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার-ড.এম ওসমান ফারুকের

চীফ রিপোর্টার আজিজুল হক
“একসাথে সবাইকে নিয়ে আগামীর করিমগঞ্জ তাড়াইল করব—এই বার্তাকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ–তাড়াইল অঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন করে গতি সঞ্চার করেছেন ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী, সাবেক সফল শিক্ষামন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. এম ওসমান ফারুক। অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার সমন্বয়ে তিনি এখন এই আসনের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।
করিমগঞ্জ–তাড়াইল আসন দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। এখানে উন্নয়ন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও গণতান্ত্রিক অধিকার—সবকিছুই নির্বাচনী আলোচনার মূল উপজীব্য। এই প্রেক্ষাপটে ড. এম ওসমান ফারুকের মনোনয়ন শুধু একটি প্রার্থিতা নয়; বরং এটি বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি পুনর্গঠন ও জনআস্থার প্রতিফলন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
ড. এম ওসমান ফারুকের রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি বড় দিক হলো—তিনি প্রশাসনিক ও মন্ত্রণালয় পরিচালনায় পরীক্ষিত। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নীতিগত সংস্কারে তাঁর ভূমিকা আজও আলোচিত। এই অভিজ্ঞতা করিমগঞ্জ–তাড়াইলের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের জন্য কার্যকর নেতৃত্বের আশা জাগাচ্ছে।
স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা দলীয় গণ্ডির বাইরেও বিস্তৃত। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মনে করেন, তিনি সংঘাতের রাজনীতির পরিবর্তে ঐক্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাসী।
ড. এম ওসমান ফারুকের বক্তব্যে বারবার উঠে আসছে “একসাথে সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার” প্রত্যয়। এটি শুধু নির্বাচনী স্লোগান নয়; বরং বিভক্ত সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার একটি রাজনৈতিক দর্শন। করিমগঞ্জ ও তাড়াইল—দুই উপজেলার উন্নয়নকে সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার এই বার্তার মধ্যেই নিহিত।
বিশেষ করে তরুণ ভোটার, শিক্ষিত সমাজ ও প্রবাসীদের মধ্যে এই ঐক্যের বার্তা ইতোমধ্যেই ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তাঁরা মনে করছেন, অভিজ্ঞ নেতৃত্বের হাত ধরেই এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবহেলিত সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান সম্ভব।
বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক বরাবরই এই অঞ্চলে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। ড. এম ওসমান ফারুকের মতো জাতীয় পর্যায়ের নেতৃত্ব যুক্ত হওয়ায় নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে বাড়তি উদ্দীপনা ও সাংগঠনিক তৎপরতা।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যদি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে করিমগঞ্জ–তাড়াইল আসনে ধানের শীষ একটি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই মাঠে থাকবে।
করিমগঞ্জ–তাড়াইলের রাজনীতিতে ড. এম ওসমান ফারুকের মনোনয়ন পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। অভিজ্ঞতা, ঐক্যের ডাক ও উন্নয়নের স্পষ্ট রূপরেখা—এই তিনের সমন্বয় তাঁকে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থানে নিয়ে এসেছে। এখন দেখার বিষয়, ভোটের মাধ্যমে জনগণ এই অভিজ্ঞ নেতৃত্বের ওপর কতটা আস্থা রাখেন।



