শেখ শোভন আহমেদ: মধুমতির দুই তীরের (কাশিয়ানী আংশিক- গোপালগঞ্জ সদর) নিয়ে গঠিত গোপালগঞ্জ-২ আসন। জাকের পার্টির মনোনিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান এবারের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন গোপালগঞ্জ-২ আসন থেকে। আসনটিতে মাহমুদ হাসান একজন তরুণ হলেও তার জনপ্রিয়তা অর্জনের তালিকা হয়েছে অনেক লম্বা। অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান গোলাপ প্রতীক নিয়ে তরুণ প্রজন্মের ও শিক্ষিত, সচেতনসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে পেয়েছেন গ্ৰহণ যোগ্যতা। আর এই জনপ্রিয়তার মূল চাবিকাঠি হিসেবে আসনটির ভোটারগণ তার অতি সাধারণ জীবনযাপন, অকৃত্রিম আলাপচারিতা, সৎ ও শিক্ষিতসহ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের কারণেই তার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে।   উল্লেখ্য গোপালগঞ্জ-২ আসন বরাবরই আওয়ামী লীগের দখলে থাকলেও এবার পরিস্থিতি বলছে ভিন্ন কথা কারণ এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নেই।আর ঠিক সে কারণেই গণমানুষ একটু সচেতনতার সাথেই এবারের নির্বাচনে বিকল্প একজন সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ইচ্ছুক।এই আসনটির জনগণ বর্তমানে উন্নত মানের সমাজ চাই। আর সেই বিকল্পধারাই এবার হবে জাকের পার্টির মনোনিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসানকে ভোটের মাধ্যমে জয়যুক্ত করে, এমনটাই আশা ব্যক্ত করছেন সবাই।   গোপালগঞ্জ-২ আসনের সদর উপজেলার মৌলভীপাড়ার মোজাম্মেল মৌলা বলেন, অ্যাডভোকেট মাহমুদ সাহেব একজন সৎ ও যোগ্য প্রার্থী। তিনি একজন শিক্ষিত সচেতন মানুষ।তার চিন্তা ও চেতনাও শিক্ষিত ধরনের, তাকে অর্থাৎ গোলাপ ফুল প্রতীককে ভোট দিয়ে এমপি বানালে সবাই ভালো একটা উন্নয়ন গোপালগঞ্জ পাবে। তিনি অতি সাধারণ মানুষ হওয়ায় তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখ দূরদশায় পাশে থাকবেন। হরিদাশপুরের শামিম পাটোয়ারী বলেন, মাহমুদ হাসান একজন খুবই ভালো মানুষ। তিনি একজন তরুণ তাই সে নির্বাচিত হলে তরুণ প্রজন্মের জন্য মঙ্গলজনক হবে। আমাদের অভিভাবক হিসেবে আমরা তাকে চাই।   জাকের পার্টির মনোনিত প্রার্থী তথা গোলাপ ফুল প্রতীককের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান বলেন, আমি আমার এই আসনকে উন্নত, দারিদ্র ও বেকারত্ব দূরীকরণের প্রত্যয়ে মাঠে নেমেছি অনেক দূর এগিয়ে যেতে চাই সকলকে নিয়ে। আমাকে ভোট দিলে তা বিফলে যাবে না।   অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলা জাকের পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন