চরফ্যাশনে হারিয়ে যেতে বসেছে দুর্দিনের কর্মীরা: ত্যাগের মূল্যায়নের দাবি সচেতন মহলের

রেদওয়ান | উপজেলা প্রতিনিধি, চরফ্যাশন (ভোলা)
ভোলার চরফ্যাশনে সংগঠনের দুর্দিনে পাশে থাকা ত্যাগী ও সক্রিয় কর্মীরা ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ছাত্র ও সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘ সময় মাঠে থেকে লড়াই করা এসব কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করায় একদিকে যেমন সংগঠন দুর্বল হওয়ার শঙ্কা দেখা দিচ্ছে, তেমনি নতুন প্রজন্মও রাজনীতি ও সাংগঠনিক কাজে নিরুৎসাহিত হচ্ছে।
সরেজমিনে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক কঠিন সময়ে যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে ছিলেন, সুসময়ে তাদের অনেকেই প্রাপ্য সম্মান বা পদপদবি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় শশিভূষণ বেগম রহিমা ইসলাম কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্ররাজনীতির সাথে যুক্ত আব্দুল্লাহ আফনানের প্রসঙ্গ টেনে ইতিবাচক মত প্রকাশ করেছেন তার সহপাঠী ও এলাকাবাসী। তাদের ভাষ্যমতে, আফনান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। সংগঠনের কঠিন সময়েও তিনি রাজপথে সরব ছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, “দুর্দিনে যারা বুক চিতিয়ে কাজ করে, সুসময়ে তাদেরই প্রাপ্য মূল্যায়ন পাওয়া উচিত। আব্দুল্লাহ আফনানের মতো ত্যাগী কর্মীদের সামনে আনা গেলে সংগঠন আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে।”
এলাকার কয়েকজন অভিভাবকও এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন। তারা মনে করেন, ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে এবং ছাত্রদের অধিকার আদায়ে আফনানের মতো দায়িত্বশীল ও শিক্ষিত তরুণ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন। এতে ক্যাম্পাসভিত্তিক কার্যক্রম আরও ইতিবাচক ধারায় এগোবে।
তবে ত্যাগী কর্মীদের অবমূল্যায়ন প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতাদের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় তারা জানিয়েছেন, সাংগঠনিক পদায়ন বা রদবদলের সিদ্ধান্ত সাধারণত কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায় থেকে সমন্বয় করা হয়ে থাকে।
তৃণমূলের দাবি, অবিলম্বে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের চিহ্নিত করে তাদের যথাযথ স্থানে আসীন করা হোক, নতুবা সংগঠনের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব সংকটে পড়তে পারে।



