চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের আলোচিত নিখোঁজ নারী শিশু ভিকটিম নাচোল থানা পুলিশ কর্তৃক ময়মনসিংহ থেকে উদ্ধার*

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল প্রতিনিধি,
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থানাধীন ফতেপুর দিয়ারখোলসী এলাকার নিখোঁজ নারী শিশু ভিকটিম মৌ (১৪) (ছদ্মনাম) সাব ইন্সপেক্টর জিয়াউর রহমান এর নেতৃত্বে নাচোল থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম ময়মনসিংহ তারাকান্দা থানার ভালকি এলাকা হতে ৩০/১২/২০২৫ ইং তারাকান্দা থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে উদ্ধার করেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৪ বছর বয়সী নারী শিশু ভিকটিম মৌ (ছদ্মনাম) এর বাবা জানান যে গত ২১/১২/২০২৫ ইং তার মেয়ে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হলে ২২/১২/২০২৫ ইং তিনি নাচোল থানায় নিখোঁজ জিডি নং-৯১০,তারিখ-২২/১২/২০২৫ ডাইরীভুক্ত করেন । পরবর্তীতে নাচোল থানার অফিসার ইন চার্জ এর তত্তাবধানে এস আই জিয়াউর রহমান এর প্রচেষ্টায় ০৮ দিন পর ৩০/১২/২০২৫ ইং ময়মনসিংহের তারাকান্দা থেকে উদ্ধার পূর্বক ভিকটিম ছদ্মনাম মৌ(১৪)কে ৩১/১২/২০২৫ ইং তার পিতার জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়৷
ভিকটিমের পিতা নাচোল থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন অনেক কষ্ট করে আমার মেয়েকে আমার কোলে ফিরে দেওয়ায় নাচোল থানার পুলিশের প্রতি আন্তরিকভাবে খুশি। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান এর আগে কিছু লোক সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আমার শশুর ও ভাইয়ের বউকে ভুল বুঝিয়ে বলে যে এস আই জিয়াউর রহমান স্যারের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করলে চাপে পড়ে তাড়াতাড়ি মেয়ে বের করে দিবে এই বলে তার নামে উল্টাপাল্টা নিউজ করে এবং তারা আমার অনুমতি ছাড়াই আমার মেয়ের ছবি পত্রিকায় প্রকাশ করে আমার ও আমার মেয়ের সম্মানহানি করে।আসলে উনি আমার বা আমার পরিবারের নিকট থেকে কোন কিছুর বিনিময় বা টাকা পয়সা দাবি করেন নাই।
ভিকটিমের মা বলেন যতদিন বেঁচে থাকবো আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ।তার কারণেই আমার ধন আমার বুকে ফিরে পাইছি। তারা কোন টাকা পয়সা ছাড়াই আমার মেয়েকে উদ্ধার করে দিয়েছে। আমি তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি।তিনি তার মেয়ের নিখোঁজের কারণ জানাতে অসম্মতি প্রকাশ করেন।
এস আই জিয়াউর রহমান জানান উক্ত নিখোঁজ জিডি পেয়ে তিনি সারাদেশের সকল থানায় নিখোঁজ বেতার বার্তা প্রেরণ করেন ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটমের অবস্থান নির্ণয় করেন এবং পরবর্তীতে অফিসার ইন চার্জ জনাব আছলাম আলী স্যারের নির্দেশনায় ও তত্তাবধানে ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানা পুলিশের সহায়তায় ভিকটিম ছদ্মনাম মৌ (১৪) কে উদ্ধার করে তার পিতার জিম্মায় প্রদান করেন।
উল্লেখ্য নাচোল থানার অফিসার ইন চার্জ জানান এস আই জিয়াউর রহমান নাচোল থানায় যোগদানের পর থেকেই একের এক ভিকটিম উদ্ধার করে চলেছেন।তিনি গত ৬ মাসে প্রায় ১০/১২ জন নিখোঁজ ভিকটিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন।তিনি আরও জানান নাচোল থানায় জিডি করতে বা ভিকটিম উদ্ধার করতে কোন টাকা লাগে না এবং নিখোঁজ ভিকটিম উদ্ধার করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।



