বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের ঢল

চীফ রিপোর্টার আজিজুল হক
শিরোনাম: হাজার মানুষের ঢল, জুম্মার নামাজের পর বিশেষ মোনাজাত — খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত স্মৃতিচারণে রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় শ্রদ্ধা
ঢাকা, ২ জানুয়ারি ২০২৬: সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষ ঢাকায় জিয়া উদ্যানে সমবেত হয়েছেন, যা শোক ও শ্রদ্ধার এক বিরল দৃশ্য রূপ নিয়েছে। কয়েক দিনের জন্য কবরস্থল উপস্থিতি সীমাবদ্ধ থাকা শেষে এখন সাধারণ জনগণসহ নেতাকর্মীরা ফুল ও পুষ্পস্তবক নিয়ে কবরের সামনে দাঁড়িয়ে দোয়া করছেন।
প্রয়াত নেত্রীর কবরের সামনে জানা গেছেেছিল সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও অধিবাসীরাও উপস্থিত ছিলেন, যারা বিভিন্ন মিছিল ও ব্যানার নিয়ে এসে তার আত্মার শান্তি কামনা করেন।
সকাল থেকে শুরু হওয়া ভীড়ে জাইমা রহমানসহ খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরাও কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া-মোনাজাত করেন, পরিবারের পক্ষ থেকে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
জুম্মার নামাজের পর বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া
রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ শুক্রবার সকল মসজিদে জুম্মার নামাজের পর বিশেষ প্রার্থনা (মোনাজাত) ও দোয়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
স্থানীয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ধর্ম বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুসারে
সারাদেশের মসজিদে নামাজের পর শোক ও শাফা-দোয়ার মোনাজাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে,
প্রার্থনায় খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি ও দেশের কল্যাণ কামনা করা হচ্ছে।
এ অনুষ্টানে বিভিন্ন শ্রেণির মুসল্লিরা অংশ নিচ্ছেন এবং দোয়ায় অংশগ্রহণ করছেন।
উল্লেখ্য, এই বিশেষ মোনাজাতের প্রস্তাব সরকারি ধর্মীয় সংস্থা ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছিল, যাতে বলা হয়েছিল জুম্মার নামাজ পর প্রার্থনাসমূহে সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
পটভূমি ও সমগ্র পরিস্থিতি
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি এবং দেশীয় রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা decades ধরে আলোচিত ও বিতর্কিত হয়ে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে ত্রি-দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে, এবং জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
তার কবর হয়েছেন ঢাকার শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে, যেখানে প্রয়াত তার স্বামী প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরও রয়েছে ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাসমূহ
বৃহৎ জনসমাগম: কবর জিয়ারলেও সাধারণ মানুষের ঢল লক্ষণীয়; রাজনৈতিক কর্মী, অনুসারী ও সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
ধর্মীয় গুরুত্ব: বিশেষ জুম্মার পর মোনাজাত দেশের সব মসজিদে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা ধর্মীয় অনুভূতি ও সমবেদনার সঙ্গে সমন্বিত।



