সেলিম মিয়া জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে ঐক্য ও শৃঙ্খলা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম—এমনটাই মনে করছেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর–বিজয়নগর) আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পেছনে দলীয় ঐক্য ও সমন্বিত সাংগঠনিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, নির্বাচনের আগে ও পরে জেলা বিএনপির অভ্যন্তরীণ সমন্বয়, নেতাকর্মীদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলা পর্যায় পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সক্ষম হন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।দলীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনী সময় জুড়ে প্রচারণা, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকিতে তিনি ব্যাপকভাবে কাজ করেন। নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পর্যায়ে সভা-সমাবেশ ও সমন্বয় বৈঠকের আয়োজনও করা হয়। এতে দলীয় কর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনা বৃদ্ধি পায় এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে গতি আসে।এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশমাতা খালেদা জিয়া এবং দেশনায়ক তারেক রহমান-এর নেতৃত্ব ও আদর্শকে ধারণ করেই বিএনপির রাজনীতি এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষের ভালোবাসাকে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে রাজনীতি করতে চাই। দলীয় নেতাকর্মীরা যেন জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় কোনো নেতাকর্মী যদি ভোটকেন্দ্র বা নির্বাচনী কার্যক্রমে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অপ্রত্যাশিত বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।জেলা বিএনপির একাধিক নেতা মনে করেন, সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ঐক্য বজায় রাখা এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় তৈরির মাধ্যমে জেলা বিএনপিকে শক্তিশালী অবস্থানে রাখতে সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি ও নেতৃত্বের সমন্বয় ভবিষ্যতে জেলা বিএনপির রাজনীতিতে আরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও দলীয় ঐক্য অটুট রেখে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন