ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির মুশফিকুর রহমান

আখাউড়া প্রতিনিধি : সিজান সরকার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। আখাউড়া উপজেলার ১৫টি কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৩৬৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯ হাজার ১৯২ ভোট।
কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলে আব্দুল্লাহপুর কেন্দ্রে ধানের শীষ পেয়েছে ৭৮৭ ভোট, দাঁড়িপাল্লা ৫৯৬। নাছরীন নবী কেন্দ্রে ধানের শীষ ১ হাজার ২৫৫ এবং দাঁড়িপাল্লা ৭০৮ ভোট পায়। শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ধানের শীষ ১ হাজার ১০৩ ও দাঁড়িপাল্লা ৭৭৭ ভোট পেয়েছে।
কসবা নয়নপুর কেন্দ্রে ধানের শীষ ৮৮৭ এবং দাঁড়িপাল্লা ৯০১ ভোট পেয়েছে। দেবগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষ ১ হাজার ৪৪৯ ও দাঁড়িপাল্লা ১ হাজার ১৯৩ ভোট পাওয়া গেছে। উমেদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষ ১ হাজার ১৯১ এবং দাঁড়িপাল্লা ১ হাজার ৬৫ ভোট পায়।
ধাতুরপহেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষ ৬২১ ও দাঁড়িপাল্লা ৫১৯ ভোট পেয়েছে। হীরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষ ৯১০ এবং দাঁড়িপাল্লা ৬৮২ ভোট পাওয়া গেছে। তারাগন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষ ৮৬৮ এবং দাঁড়িপাল্লা ১ হাজার ৬ ভোট পেয়েছে।
টানপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষ ৬৬৮ ও দাঁড়িপাল্লা ৪৬৮ ভোট পাওয়া গেছে। আখাউড়া টেকনিক্যাল ইসলামিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে ধানের শীষ ১ হাজার ৯৩ এবং দাঁড়িপাল্লা ৪৭০ ভোট পেয়েছে। টানমান্দাই কেন্দ্রে ধানের শীষ ৭২৮ ও দাঁড়িপাল্লা ৬৭ ভোট পাওয়া গেছে।
কসবা শাহপুর পুরুষ কেন্দ্রে ধানের শীষ ৭০০ এবং দাঁড়িপাল্লা ৩০০ ভোট পেয়েছে। ১ নম্বর ওয়ার্ড দুর্গাপুর কেন্দ্রে ধানের শীষ ১ হাজার ২৫২ এবং দাঁড়িপাল্লা (জামায়াত) ১ হাজার ২৫০ ভোট পেয়েছে। কর্মমঠ উচ্চ বিদ্যালয় (উত্তর) কেন্দ্রে ধানের শীষ ৭৩১ ও দাঁড়িপাল্লা ৬৯৯ ভোট পাওয়া গেছে। দূর্গাপুর–টানপাড়া প্রাইমারি স্কুল কেন্দ্রে ধানের শীষ ১ হাজার ২৫২ এবং দাঁড়িপাল্লা ১ হাজার ২৫০ ভোট পেয়েছে।



