সামাজিক অবক্ষয় রোধে নৈতিক শিক্ষার জাগরণ জরুরি

বর্তমানে আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় এক অস্থির সময় অতিবাহিত হচ্ছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সামাজিক অবক্ষয়। কিশোর গ্যাং কালচার, মাদকের বিস্তার এবং বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের অভাব—এগুলো এখন নিত্যদিনের খবর। কিন্তু কেন এই অধঃপতন?
মূলত, শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যা বা জিপিএ-৫ এর পেছনে ছুটতে গিয়ে আমরা আমাদের সন্তানদের 'মানুষ' হওয়ার শিক্ষা দিতে ভুলে যাচ্ছি। পরিবার হলো শিক্ষার প্রথম পাঠশালা। সেখান থেকেই সততা, সহানুভূতি এবং অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের চর্চা শুরু হওয়া উচিত। কিন্তু কর্মব্যস্ততা আর যান্ত্রিক জীবনের দোহাই দিয়ে আমরা সেই দায়িত্ব থেকে সরে আসছি।
শুধুমাত্র আইন করে বা পুলিশ দিয়ে এই সামাজিক ব্যাধি দূর করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সামাজিক জাগরণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত কাউন্সেলিং এবং ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে বোঝাতে হবে যে, মেধার চেয়েও বড় সম্পদ হলো চরিত্র।
আসুন, আমরা আমাদের সন্তানদের কেবল সফল ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন না দেখিয়ে, একজন বিবেকবান ও সৎ মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখাই। তবেই গড়ে উঠবে একটি সুন্দর ও নিরাপদ সমাজ।



