স্টাফ রিপোর্টার: এইচ এম রুহুল আমিন

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতিতে যখন সাধারণ মানুষ চাপে, তখন প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন ভোক্তারা। তাড়াইল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা আখতার–এর কাছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, “নতুন সরকার গঠন করা হয়েছে মাত্র। যদি কোনো সিদ্ধান্ত আসে, তবে আমরা তা পালন করবো।” তবে বাজার তদারকি, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা বা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি নির্দিষ্ট কোনো কর্মপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেননি।

বাজার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক

স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, সবজি ও মাছ-মাংসের দাম আগের তুলনায় বেড়েছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বলছে, আয় অপরিবর্তিত থাকলেও ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সংসার পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

ভোক্তাদের অভিযোগ, বাজারে নিয়মিত নজরদারি না থাকায় কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করছেন। তারা মনে করছেন, প্রশাসনের দৃশ্যমান তদারকি থাকলে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসতে পারে।

প্রশাসনিক দায়িত্ব ও বাস্তবতা

বিশ্লেষকদের মতে, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ একটি কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী বিষয় হলেও উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে মূল্যতালিকা টানানো নিশ্চিত করা, মজুতদারি রোধ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অনিয়ম দমন—এসব পদক্ষেপ স্থানীয়ভাবেই নেওয়া সম্ভব।

তবে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট অবস্থান না পাওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা কী?

প্রত্যাশা

সাধারণ মানুষ আশা করছেন, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে বাজারে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জানা গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।