চীফ রিপোর্টার আজিজুল হক
মাননীয় জনাব তারেক রহমান,
শ্রদ্ধা ও সম্মানপূর্বক জানাচ্ছি, সম্প্রতি আপনার নেতৃত্বে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টাদের পদায়ন সম্পন্ন হয়েছে। এ জন্য আমরা আপনাকে অভিনন্দন জানাই। তবে কিশোরগঞ্জবাসীর মনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আজও রয়ে গেছে।
আমাদের সততা, ন্যায় ও আদর্শের প্রতীক—জননেতা ড. এম ওসমান ফারুক—তাঁর অবস্থান ও প্রাপ্য মর্যাদা নিয়ে জেলাবাসীর মধ্যে গভীর প্রত্যাশা ও আলোচনা বিদ্যমান। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ ও তাড়াইল) আসনে তাঁর নেতৃত্ব ও গ্রহণযোগ্যতাই দলের বিজয়কে সুদৃঢ় করেছে। তাঁর পরিবর্তে অন্য কেউ মনোনয়ন পেলে এ আসনটি পুনরুদ্ধার করা কঠিন হতো বলেই আমাদের ধারণা।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালে তিনি কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে জনগণের ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে তিনি খালেদা জিয়া-এর নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত ছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তাঁর সময়ে শিক্ষাঙ্গনে নকলমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্ঠা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁর ভূমিকা দেশব্যাপী প্রশংসিত হয়েছিল।
আজ যখন তিনি পুনরায় জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে সংসদে ফিরেছেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই কিশোরগঞ্জবাসী আশা করে—যোগ্যতা ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন হবে। সাধারণভাবে যেখানে অভিজ্ঞতা ও সাফল্য বড় দায়িত্বের পথ প্রশস্ত করে, সেখানে তাঁর ক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো বার্তা যেন না যায়—এটাই আমাদের বিনীত অনুরোধ।
বিশেষ করে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে, যে জেলাকে দীর্ঘদিন প্রতিপক্ষের ঘাঁটি হিসেবে ধরা হতো, সেই কিশোরগঞ্জে ছয়টি আসনের সবকটিতে দলের বিজয় জেলাবাসীর রাজনৈতিক আস্থা ও ঐক্যের প্রতিফলন। তাই জেলাবাসীর প্রত্যাশা—এই বিজয়ের যথাযথ মর্যাদা ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হবে।
আমাদের প্রশ্ন একটাই—কিশোরগঞ্জবাসীর কণ্ঠ কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দরজায় পৌঁছাবে? যোগ্যতার স্বীকৃতি কি যথার্থভাবে প্রদান করা হবে?
আমরা বিশ্বাস করি, আপনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে দল ও দেশের স্বার্থে সঠিক সিদ্ধান্তই গৃহীত হবে। কিশোরগঞ্জবাসীর এই প্রত্যাশা ও অনুভূতি আপনি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করবেন—এই কামনাই রইল।
বিনীত,
হাজী মোহাম্মদ মনজুরুল হক মামুন ভূঁইয়া
যুগ্ম আহবায়ক জাতীয়তাবাদী ওলামা দল, কিশোরগঞ্জ জেলা ও
মেয়র পদপ্রার্থী, করিমগঞ্জ পৌরসভা




